পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাচন ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়ার দাবী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী রোজের

0

পাবনা প্রতিনিধি : আগামী ২১ মে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন জমে উঠেছে। রাত দিন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী। মোটর সাইকেল প্রতীক পেয়েছেন ভাঙ্গুড়া পৌর সভার সাবেক মেয়র, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনায়েন রাসেল ও ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা এম মেজবাহুর রহমান রোজ।

প্রার্থীরা কাক ডাকা ঘোরে যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। চাইছেন তাদের প্রতীকে একটি ভোট। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। চলছে গণসংযোগ, উঠোন বৈঠক। চলছে চায়ের দোকান, বাজার ঘাট, হোটেল রেস্তরায় নির্বাচনী গরম গরম আলোপ আলোচনা। পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে। চলছে প্রচার যন্ত্রে নানা গানের সুরে সুরে ভোটারদের মন আকৃষ্ট করা প্রচার প্রচারণা। মোটর সাইকেল প্রার্থী মোটর সাইকেল নিয়ে যাচ্ছেন প্রচার প্রচারণায়। আর ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী কাঠ ও কাপড় দিয়ে ঘোড়া বানিয়ে মিনি ট্রাকে সাজিয়ে করছে প্রচার প্রচারণা।

সাধারণ ভোটারদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, ভোটের পরিবেশ স্ষ্ঠুু ও শান্তিপূর্ণ চাই। ইভিএম এ ভোট দিতে হবে। কোন ধরণের নাশকতা চাই না আমরা। আমরা আমাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান বানাতে চাই। এখন পর্যন্ত ভোটের মাঠ ভালো আছে। যদি এমন মাঠ থাকে তাহলে আমরা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যাবে। নিজেদের ভোট দিবো।

ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা এম মেজবাহুর রহমান রোজ বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছেলে হয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তার সাথেই করছি প্রতিদ্বন্দ্বিতা। প্রভাব বিস্তার থাকবেই। কিন্তু সেটা দেখে পিছু হটার মানুষ আমি নই। ভোটের শেষ সময় পর্যন্ত আমি মাঠে আছি, থাকবো। জনগণের কাছে ভোট চাইছেন, কি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন এমন বিষয়ে জানতে চাইলে রোজ বলেন, হারা জিতা পরে। প্রধানমন্ত্রী ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বলেছেন। আমিও ভোটারদের সেটাই নিশ্চিত করছি ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য। যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন কিন্তু ভোট কেন্দ্রে আপনাকে যেতে হবে। উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, চেয়ার না বসে কখনো সমস্যা নিরুপণ ও পুরণ করা সম্ভব নয়। যিনিই ওই চেয়ারে যাবেন, তিনিই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ দেখাবেন।

মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র গোলাম হাসনায়েন রাসেল বলেন, মেয়র থাকাকালে চেষ্টা করেছি সকল সমস্যা সমাধানের।

উপজেলার সমস্যা সমাধান করতে পারবো এমন দাবীর প্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের দাবীতে প্রার্থী হয়েছি। বাবা এমপি। তিনি সংসদীয় আসনের সকল সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ উপজেলায় আগের চেয়ারম্যানরা আশানুরূপ কাজ করেনি বলেই বাতি কাজগুলো করার তাগিদে আমাকে যারা ভালোবাসেন তাদের দাবীতেই প্রার্থী হয়েছি। রাসেল বলেন, ইনশাল্লাহ, আমাকে ভোটাররা তাদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করলে অবশ্যই আমি এ উপজেলাবাসীর সকল দাবী দাওয়া গুরুত্ব সহকারে দেখবো। তিনিও ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার আহবান জানান।

Share.

Leave A Reply