আলী আশরাফুল কবিরের উপরে পরিকল্পিত ভাবে হামলাঃনুরুল ইসলাম কুদ্দুস

0

রোকন বিশ্বাস-ক্রাইম রিপোর্টারঃস্বপ্নের মতই লাগতো পদ্মা সেতুর নামটা।সেই স্বপ্নকে বাস্তব রুপে বাস্তবায়ন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকার বঙ্গকন্যা জনতার আস্থা জননেত্রী শেখ হাসিনা।সেই পদ্মা সেতু উদ্ভোদন উপলক্ষে আজ সারাদেশ ব্যাপী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলের জেলা উপজেলার নেতা কর্মীগনসহ সরকারি দপ্তরের সকল শ্রেনীর পেশাদার ব্যক্তিবর্গগন উপস্থিত থেকে এক আনন্দ মূহুর্ত উৎযাপন করেন।বর্তমানে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় সরকারী দপ্তরের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজুল ইসলাম(পি,আই,ও)কে দেখা যায় না বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলের দলীয় সম্মেলনে।উপজেলার সকল কার্যক্রম শেষ করে রাত ৯ঃ৩০ মিনিটে আনন্দ মূহুর্ত চলাকালীন সময়ে উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম অরফে কদ্দুস(৬০) এর সাথে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ হোসেন(পি,আই,ও) আসেন সুমনের চা-ষ্টলে আসেন চা-পান করতে থ্রী-কোয়ার্টার প্যান্ট পরে ।এমতো অবস্থায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদপুর উপজেলা শাখার বার বার নির্বাচিত বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুল কবির সুমনের চা-ষ্টলে বসেন চা-পান করার জন্য।এমন সময়েই দেখা হয় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজুল ইসলাম(পি,আই,ও)এর সাথে।দেখা হওয়ার সাথে সাথেই তিনি তাকে বলেন ভাই আপনি তো একজন সরকারি কর্মকর্তা কিন্তু আপনাকে আজকের এই দিনে পাওয়া যায় নি,তবে উপস্থিত হলে ভালো হইতো।এই কথাতেই সন্ত্রাসী রাতুলের(২৯) পিতা বর্তমান ফরিদপুর উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কুদ্দুস ক্ষিপ্ত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদপুর উপজেলা শাখার বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুল কবিরের বুকে ৩/৪ টা কিল ঘুষি মারতে শুরু করে আর বলে আমার সাথে আসছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃআজিজুল ইসলাম(পি,আই,ও)। তুমি বলার কে এই অনুষ্টানে উপস্থিত হওয়ার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজুল হক(পি,আই,ও)কে?

এমন সময় পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে তা বুঝে আলী আশরাফুল কবির নিজেই সুমনের চা-ষ্টল থেকে বের হওয়া মাত্রই ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কুদ্দুসের সন্ত্রাসী ছেলে রাতুল(অস্ত্র-মামলা চলমান) চাপাটি বের করে আলী আশরাফুল কবিরের মাথায় কোপ দেওয়ার পর পরই মাটিতে পরে যান। সফর সঙ্গী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ফরিদপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সোহেল রানা,রুবেল রানা,খন্দকার রানা,হারুনর রশীদ নাজমুল। এই মারামারি আটকানোর কঠোর চেষ্টায় ব্যার্থ হয় এবং আহত হয় তারা।এমতো অবস্থায় আল-মদিনা ক্লিনিক সংলগ্ন চা-ষ্টলের,বিক্রেতা মোঃহযরত আলী মারামারি ঠেকানোর জন্য ছুটে আসে তাকেও ছাড়েন নাই সন্ত্রাসী রাতুল,মুনসুর সহ তাদের গ্যাং বাহিনী।রড দিয়ে বারি মেরে পা দ্বি-খন্ডিত করে দেয় এবং সারা দেহেতে রডের বারির দাগ বসে যায়।

এই চা-বিক্রেতা মোঃহযরত আলী বর্তমান গুরুতর অবস্থায় তাকে রাজশাহী পাঠানো হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায় ফরিদপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থানীয় দোকানিদের কাছ থেকে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়,এই রাতুল শুধু সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়েই থাকে না,মাদক দ্রব্যের সাথেও যুক্ত আছেন হরদম ভাবে।

সুশীল সমাজের এমন সন্ত্রাসী,মাদক দ্রব্য ব্যবসায়ী ও অস্ত্রব্যবসার কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছে রাতুল। নিজের পিতা উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান হওয়ার কারণে সকল ক্ষমতা বলেই এই সকল অপকর্মের সাথে অন্তর্ভুক্ত ,এমন মন্তব্য প্রকাশ করেন ছাত্রলীগ,যুবলীগের নেতাকর্মীগন।

ছাত্রলীগ,যুবলীগের নেতাকর্মীগন আরো জানান,বিগত দিনে এই সন্ত্রাসী রাতুল অস্ত্র ব্যবসা করতে গিয়ে সরাসরি পুলিশ প্রশাসনের হাতে ধরা পরে সন্ত্রাসী, অস্ত্রব্যবসায়ী ও মাদক ব্যবসায়ী রাতুল।আমরা সকল সময়েই ভয়ে ভয়ে থাকি কখন কি করে আবার?

গোপন ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় ফরিদপুর উপজেলার মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুল কবিরের উপরে হামলা করায় অনেক মানুষি স্বাক্ষী হিসাবে অন্তর্ভুক্ত থাকে।রক্তরধি অবস্থায় আলী আশরাফুল কবিরের পাশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খলিলুর রহমান সরকার,হাফিজ সরকার সহ আরো অনেকে ছিলেন।

এই ঘটনা ঘটা মাত্রই পুলিশ প্রশাসন দ্রুত গিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুলকে উদ্ধার করে এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য আহব্বান করেন।

বর্তমান আলী আশরাফুল কবির ফরিদপুর উপজেলাধীন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি অবস্থায় আছেন।মাথায় ৫/৬ টি সেলাই করা হয়েছে,প্রচন্ড রক্তখরণ হয়েছে এমন মন্তব্য প্রকাশ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন।

তিনি আরো জানান,আমাদের সেবা মানুষের জন্যই,তবে আমরা সঠিক নিয়মে সঠিক চিকিৎসা দিচ্ছি খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠবে ইন-শা-আল্লাহ।

Share.

Leave A Reply